কীর্তনখোলা রিপোর্ট

বরিশালে চাঁদাবাজির অভিযোগে সমন্বয়ক পরিচয়ে পরিচিত দুই যুবককে আদালত চত্বর থেকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছেন বরিশাল অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের একজন বিচারক। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। পরে ভুক্তভোগীর দায়ের করা মামলায় ওই দুইজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আটক দুই যুবকের নাম নাঈম ও কামরুল। এ ঘটনায় নজরুল ইসলাম নামের আরও একজনকে মামলার আসামি করা হয়েছে।

পুলিশ ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নগরীর ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের সিএন্ডবি ১ নম্বর পোল এলাকায় আবদুল হাই নামে এক ব্যক্তির ভবন সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। সেই বিরোধ মীমাংসার কথা বলে নাঈম ও কামরুলসহ কয়েকজন নিজেদের সমন্বয়ক পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন সময় তার কাছ থেকে মোট ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা আদায় করেন।

ঘটনার ধারাবাহিকতায় রোববার বিকেলে আবদুল হাই আদালতে উপস্থিত হলে অভিযুক্তরা তার কাছে আরও ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। এ সময় চিৎকার শুনে অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক ঘটনাস্থলে এসে পুরো বিষয়টি অবগত হন।

বিষয়টি যাচাই শেষে বিচারক নিজ উদ্যোগে নাঈম ও কামরুলকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন এবং ভুক্তভোগীকে মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন। পরে আবদুল হাই কোতয়ালী মডেল থানায় মামলা করলে ওই মামলায় তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। ঘটনার পর আদালত চত্বর ও কোতয়ালী থানায় ভিড় জমায় শিক্ষার্থীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়। কোতয়ালী মডেল থানার ওসি মামুন উল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, চাঁদাবাজির অভিযোগে আটক দুই যুবককে আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
Advertisement