কীর্তনখোলা ডেস্ক

প্রথমার্ধ ছিল একেবারে স্বপ্নের মতো। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুটাও ছিল বাংলাদেশের পক্ষে। ম্যাচের ৫০তম মিনিট পর্যন্ত ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত থাইল্যান্ডের কাছে ৩-২ ব্যবধানে হার দিয়ে অনূর্ধ্ব-২০ এএফসি এশিয়ান কাপে যাত্রা শুরু করেছে বাংলাদেশ। বুধবার ব্যাংককের থামমাসাত স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাতটায় শুরু হওয়া ম্যাচে মোট ৫ গোলের মধ্যে চারটিই হয়েছে দ্বিতীয়ার্ধে। প্রথমার্ধে মোসাম্মৎ সাগরিকার একমাত্র গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় পিটার বাটলারের দল। দ্বিতীয়ার্ধের ৫০ মিনিটে তিনি আরেকটি গোল করে ব্যবধান বাড়ান। তবে ধারাবাহিক ভুলের কারণে শেষ পর্যন্ত হতাশা নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে আফঈদা খন্দকারদের। ম্যাচের ১৬তম মিনিটে ফ্রি-কিক ঠেকাতে ঝাঁপিয়ে পড়েন মিলি আক্তার। তার গ্লাভস ফসকে বল বেরিয়ে যাওয়ার পর দূরূহ কোণ থেকে কুরিসারা লিম্পাওয়ানিচের নেওয়া শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। এতে বিপদমুক্ত থাকে বাংলাদেশ। ২৫তম মিনিটে স্বপ্নার পরিবর্তে পূজা দাসকে মাঠে নামান কোচ বাটলার। কিছুক্ষণ পর থাইল্যান্ডের একটি দূরপাল্লার শট ফিস্ট করে ফিরিয়ে দেন মিলি। পরবর্তী প্রচেষ্টাটিও রক্ষণভাগ প্রতিহত করে। ম্যাচের ৩৬তম মিনিটে আসে বাংলাদেশের সাফল্য। মোমিতা খাতুনের ক্রস থেকে বল পেয়ে একাই আক্রমণে ওঠেন মোসাম্মৎ সাগরিকা। ওয়ান-অন-ওয়ান পরিস্থিতিতে সামনে শুধু গোলকিপার আতিমা বুনপ্রাকানপাইকে পেয়ে বুদ্ধিদীপ্ত শটে গোল করেন তিনি। এই অর্ধে সেটিই ছিল একমাত্র গোল। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই উমেলা মার্মার ক্রস থেকে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন সাগরিকা আক্তার। এরপরই খেলায় ছন্দ হারাতে শুরু করে বাংলাদেশ। ৬৯তম মিনিটে বক্সের ভেতর ফাউল করেন সুরভী আক্তার। রেফারি পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন। স্পট কিক থেকে গোল করে ব্যবধান কমান কুরিসারা। ৭৬তম মিনিটে দ্বিতীয় পেনাল্টি থেকে সমতায় ফেরে স্বাগতিকরা। ডি-বক্সে পিচায়াতিদাকে ফেলে দেওয়ায় পেনাল্টি পায় থাইল্যান্ড। রিনায়াপাত গোল করে স্কোরলাইন ২-২ করেন। সমতায় ফেরার তিন মিনিট পরই লিড নেয় থাইল্যান্ড। ৭৯তম মিনিটে পিচায়াতিদার গোলে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে যায় তারা। শেষ পর্যন্ত এই ফলেই শেষ হয় ম্যাচ।

বিজ্ঞাপন
Advertisement