কীর্তনখোলা ডেস্ক

শক্তির বিচারে বাংলাদেশের তুলনায় চীন যে অনেক এগিয়ে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবুও প্রথমার্ধে লড়াইয়ের চেষ্টা করেছে লাল-সবুজের মেয়েরা। এ সময় বল দখলেও অর্পিতারা প্রতিপক্ষের কাছাকাছিই ছিল। তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই হঠাৎ গোল খেয়ে বসায় লড়াইয়ের গতি হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশ। পিছিয়ে পড়ার পর আর ম্যাচে ফেরার সুযোগ তৈরি করতে পারেননি অর্পিতা বিশ্বাসরা। শনিবার থাইল্যান্ডের ননথাবুড়ি স্টেডিয়ামে ‘এ’ গ্রুপের ম্যাচে চীনের মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ। যেখানে ২-০ ব্যবধানে হেরে মাঠ ছাড়ে পিটার বাটলারের দল। ম্যাচের দুটি গোলই আসে দ্বিতীয়ার্ধে। এর আগে গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক থাইল্যান্ডের কাছে ২-৩ ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিল বাংলাদেশ। অন্যদিকে প্রথম ম্যাচে ভিয়েতনামকে ৩-০ গোলে হারিয়ে চীন টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নেয়। এদিন ৩৩ মিনিটে শান্তি মার্ডির বদলে মাঠে নামেন মুনকি আক্তার। ৪৩ মিনিটে নিশ্চিত গোল রুখে দেন গোলরক্ষক মিলি। বাংলাদেশের রক্ষণভাগ ভেঙে এক চীনা ফরোয়ার্ড এগিয়ে এলে ওয়ান-অন-ওয়ান পরিস্থিতিতে দৃঢ়তা দেখান তিনি। একই মিনিটে জি জংমির ক্রসে লু জিয়াউয়ের হেড জালে ঢোকার পথে থাকলেও তা লাফিয়ে কর্নারে পাঠান মিলি। বিরতির পরপরই এগিয়ে যায় চীন। ৪৭ মিনিটে উমেহ্লা ও প্রীতিকে কাটিয়ে জিং লুজিয়ার কাটব্যাক থেকে হু চিংগুয়ে গোল করেন। ৮২ মিনিটে ফ্রি কিক থেকে ব্যবধান বাড়ান ওয়াং আইফাং। বক্সের সামনে ফ্রি কিকের সময় রক্ষণ দেয়াল গড়ে বাংলাদেশ। শট নেওয়ার সময় বলের লাইন থেকে শরীর সরিয়ে ফেলেন সুরমা, ফলে বল দূরের পোস্ট দিয়ে জালে জড়ায়। ডান দিকে ঝাঁপিয়েও তা ঠেকাতে পারেননি মিলি। পরের মিনিটে আফঈদা খন্দকারের ভুলে বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। লু জিয়াকির ক্রস ক্লিয়ার করতে গিয়ে বল প্রতিপক্ষের কাছেই তুলে দেন তিনি। তবে গোলমুখে দাঁড়িয়ে থেকেও চীন সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি। যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে আফঈদা দুর্দান্ত ব্লকে আরেকটি গোল ঠেকান। শেষ পর্যন্ত ২-০ ব্যবধানে জয় পায় চীন। গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের শেষ ম্যাচ ৭ এপ্রিল, প্রতিপক্ষ ভিয়েতনাম। টানা দুই ম্যাচে হারলেও শেষ আটে ওঠার সম্ভাবনা পুরোপুরি শেষ হয়নি। শেষ ম্যাচে ভিয়েতনামকে হারাতে পারলে তিন গ্রুপের সেরা তৃতীয় দল হিসেবে পরের রাউন্ডে যেতে পারে বাংলাদেশ।

বিজ্ঞাপন
Advertisement