কীর্তনখোলা ডেস্ক

শেষ ওভারে পাকিস্তানের দরকার ছিল ১৪ রান, আর বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল একটি উইকেট। রিশাদ হোসেনের দ্বিতীয় বলে শাহিন শাহ আফ্রিদি ক্যাচ তুললেও তা ধরতে পারেননি তিনি। তবে পরের বলগুলোতে কোনো বাউন্ডারি না দিয়ে শেষ পর্যন্ত জয় নিশ্চিত করেন এই তরুণ লেগ স্পিনার। সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে শেষ পর্যন্ত ১১ রানে জয় পায় বাংলাদেশ। মিরপুরে আগে ব্যাট করে ২৯০ রান তোলে স্বাগতিকরা, জবাবে পাকিস্তান থামে ২৭৯ রানে। এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ ২-১ ব্যবধানে নিজেদের করে নেয় বাংলাদেশ। পাকিস্তানের বিপক্ষে টানা দ্বিতীয় সিরিজ জয় এটি।শেষ ম্যাচে বাংলাদেশের জয়ের মূল নায়ক তানজিদ হাসান তামিম ও তাসকিন আহমেদ। তামিম করেন ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি—১০৭ রান, আর তাসকিন নেন ৪ উইকেট। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে দারুণ শুরু করে বাংলাদেশ। তামিম শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিলেন, অন্যদিকে সাইফ হাসান ধীরে খেললেও জুটি গড়তে ভূমিকা রাখেন। দুজন মিলে ১০৯ বলে ১০৫ রান যোগ করেন। তামিম ৪৭ বলে ফিফটি করেন ৪ ছক্কা ও ৩ চারে। সাইফ ৩৬ রান করে আউট হন। এরপর শান্তর সঙ্গে তামিম ৫৩ রানের জুটি গড়েন। সেঞ্চুরির পথে কিছুটা ধীর হলেও বড় শট খেলেই শতক পূর্ণ করেন তামিম। ৬ চার ও ৭ ছক্কায় ১০৭ রান করে আউট হন তিনি। শেষ দিকে বাংলাদেশের রান তোলার গতি কমে যায়। লিটন করেন ৪১ এবং হৃদয় অপরাজিত ৪৮। জবাবে শুরুতেই চাপে পড়ে পাকিস্তান। প্রথম দুই ওভারে ৩ উইকেট হারায় তারা। পরে কয়েকটি জুটি গড়ে উঠলেও নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে দলটি। সালমান আগা ১০৬ রানের অসাধারণ ইনিংস খেলেও দলকে জেতাতে পারেননি। শেষ দিকে আফ্রিদির চেষ্টা সত্ত্বেও জয় পায় বাংলাদেশ। শেষ ওভারে রিশাদ আফ্রিদিকে স্টাম্পড করে পাকিস্তানকে অলআউট করেন। বাংলাদেশের হয়ে তাসকিন ৪টি, মোস্তাফিজ ৩টি ও নাহিদ ২টি উইকেট নেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

বাংলাদেশ: ৫০ ওভারে ২৯০/৫ (সাইফ ৩৬, তামিম ১০৭, শান্ত ২৭, লিটন ৪১, হৃদয় ৪৮*, রিশাদ ০, আফিফ ৫*; আফ্রিদি ১০-০-৫৫-১, রউফ ১০-০-৫২-৩, আবরার ১০-০-৪৯-১, ফাহিম ৪-০-২৪-০, সাদ ৮-০-৫৫-০, সাদাকাত ১-০-৯-০-, সালমান ৭-০-৩৫-০)

পাকিস্তান: ৫০ ওভারে ২৭৯ (সাহিবজাদা ৬, সাদাকাত ৬, ঘড়ি ২৯, রিজওয়ান ৪, সামাদ ৩৪, সালমান ১০৬, সাদ ৩৮, ফাহিম ৯, আফ্রিদি ৩৭, রউফ ১, আবরার ০*; তাসকিন ১০-১-৪৯-৪, নাহিদ ১০-০-৬২-২, মোস্তাফিজ ১০-০-৫৪-৩, মিরাজ ১০-০-৩৭-০, রিশাদ ৭-০-৫৬-১, সাইফ ৩-০-১৮-০)

বিজ্ঞাপন
Advertisement